Tuesday, October 8, 2013

কম্পিউটারের ডেস্কটপকে সাজিয়ে নিন নতুন সাজে

কম্পিউটার ওপেন করলেই সেই পুরানো ডেস্কটপের চেহারা আর ভাল লাগে না।
এইবার ডেস্কটপটাকে একটু সাজাইতে ইচ্ছা হইল।
খুব একটা খারাপ লাগতেছে না তাই সবার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছা হইল
সফটওয়্যার তার নাম “XUS Desktop”
এর মাধ্যমে আপনি অনেক ফাইল বা প্রগ্রাম শর্টকাটে সুন্দরভাবে ওপেন করতে পারবেন।
আমার ডেস্কটপের কিছু স্ক্রীনসট নিচে দিলাম




বেশি কিছু আর বলব না।

সফটওয়্যারটি  ডাউনলোড করুন এখান থেকে
এটি ৩০ দিনের ট্রায়াল। সিরিয়াল কি নিন এখান থেকে
XUS Desktop এর অফিসিয়াল সাইট এখানে

*** জেনে নিন সকল ফাংশন কী এর ব্যাবহার **

কম্পিউটার কি বোর্ড এর একদম উপরের দিকে তাকালে  ডজন  বাটন দেখা যাবে  F1, F2, F3, F4…..  এগুলোফাংশন কি নামে পরিচিত  এসব বাটনের প্রত্যেকটির রয়েছে বিশেষ বিশেষ গুরুত্ব  আমাদের এগুলো জানাদরকার  নিচে এগুলোর বর্ণনা দেয়া হল ---

 F1 : সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহৃত হয়  যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজচলে আসে 
 F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়  “Alt + Ctrl + F2″ চাপ দিলেডকুমেন্ট মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওপেন হয় 
 F3 : এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটিচাপ দিলে পূর্বের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে 
 F4 : এটি চাপলে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়  Alt+F4 চেপে সক্রিয় সবপ্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। এছাড়া Alt+F4 চেপে পিসি বন্ধ করার অপশন আনা যায় 
 F5 : আপনার পিসি একবার রিফ্রেশ করে F5 কি চেপে রাখলে পিসি বারবার রিফ্রেশ হতে থাকবে  পাওয়ারপয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়।
 F6 : এটি চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের (এক্সপ্লোরার / মজিলাঅ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়াহয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
 F7 : এটি চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান  গ্রামার ঠিক করা হয়  মজিলা ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা হয়।
 F8 : কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode- চালুকরার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
 F9 : কি টি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
১০ F10 : কি টি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়। এটি চেপেCMOS Setup  প্রবেশ করা যায় 
১১ F11 : কি টি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়। Ctrl + F11 দিলে Dellকম্পিউটারের “hidden recovery partition” চালু হয় 
১২ F12 : কি টি চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। “Ctrl + Shift + F12″ চাপলেমাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্ট প্রিন্ট হয় 

হ্যাক করুন BF/GF এর ফেসবুক একাউন্ট ব্যতিক্রম একটি নিয়ম

এখন আমরা FB নতুন পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার ট্রিক্সের সাহায্যে ফেসবুকে অনলাইন হ্যাক করতে পারবো. তাই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং এর জন্য এই নতুন পথ সম্পর্কে পড়া রাখুন. FB সম্প্রতি “তিনটি Trusted  বন্ধু” ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড উদ্ধার করার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে. আপনার ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন তাহলে FB তিন বন্ধুর কাছে  নিরাপত্তা কোড পাঠাতে হবে. তারপর আমাদেরকে তিন বন্ধুর কাছে নিরাপত্তা কোড জিজ্ঞাসা করতে হবে. এবং FB কে ওই কোড দেবার পর আমরা ফেসবুক পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করতে পারবো. ফেসবুকের এ ফ্রি ও নতুন ফিচারটিকে অপব্যবহার করতে শুরু করেছি।.আমাদের শুধু তিনটি ফেইক  FB অ্যাকাউন্ট তৈরি  করতে  এবং তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে. ভিক্টিমকে ​​বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ করতে হবে. এখন আমরা শিকার ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে এই উপরের “তিন বিশ্বস্ত বন্ধু” বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করতে পারি. আমি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক কিভাবে একটি সম্পূর্ণ নির্দেশিকা দিচ্ছি:
নোট: তিনটা একাউন্ট অবশ্যই সাত দিনের পুরোনো হতে হবে। তাছাড়া এ ট্রিক্স কাজে আসবে না।
১. ফেসবুক.কম এ লগিন পেজে যান। Forgot Password এ ক্লিক করুন।
২. এখন ভিকটিম এর ফেসবুক ‍একাউন্ট ইমেইল অথবা username or Profile name এবং সার্চ করুন।তারপর আপনি ভিকটিমের প্রোফাইল একাউন্ট পাবেন।This is my Account এ ক্লিক করুন।
৩. “No longer have access to this” এ ক্লিক করুন
৪. এখন নতুন ইমেইল এড্রেস চাবে। আপনার নিজের একটি ইমেইল দিন
৫. এখন ফেসবুক আপনাকে সিকিউরিটি কোয়েশ্চেনের উত্তর দিতে বলবে। ভয় পাবেন না, তিন বার চেষ্টা করুন। তার পর আপনাকে নতুন একটি পেজে নিয়ে যাবে।
৬. এটাই হচ্ছে মেইন পার্ট । “Continue” তে ক্লিক করুন এবং ফেবু আপনাকে তিনটি ট্রাস্টড ফ্রেন্ড সিলেক্ট করতে বলবে। এখানে ভিকটিমের ফুল ফ্রেন্ডলিস্ট দেখাবে।আপনার তৈরিকৃত তিনটি একাউন্টও দেখাবে।তখন আপনি এই তিনটি একাউন্ট সিলেক্ট করুন। আপনার এই তিন একাউন্টে চলে যাবে ‍সিকিউরিটি কোড। কোডগুলো নিয়ে প্রবেশ করুন। তারপর ফেসবুক পাসওয়ার্ড রিকভারি ইমেইল পাঠাবে। এভাবে আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।
কারও ক্ষতি করবেন না। এবং এর জন্য লেখক দায়ী নয়।

Friday, September 27, 2013

এবার টাকা ছাড়াই নিজের পিসিতে বসে Nokia মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফ্লাস দিন।

আস্-সালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। সবসময় এই দোয়াই করি।
আজকের পোষ্টের বিষয়টি শুনে হয়তো চমকে উঠেছেন.. তাইনা? আসলে চমকে যাবারই কথা।
কেননা যারা নোকিয়া মাল্টিমিডিয়া ফোন ব্যবহার করে থাকেন তারা সবাই জানেন ফ্লাসের এই দূরাবস্থার কথা।
প্রতিবার ফ্লাস দিতে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয় মোবাইল সার্ভিস অথবা নোকিয়া সার্ভিস পয়েন্ট গুলোতে।
এতকিছুর পরও, ফ্লাস দেবার পর সেটা কত দিন টিকবে তারও কোন নিশ্চয়তা নাই।
অনেকের কিছুদিন পর পর ফ্লাস দিতে হয়। অথচ দেখুন এভাবে ফ্লাস দিতে দিতে কতগুলো টাকা আপনাকে গচ্ছা দিতে হচ্ছে।
যাইহোক, আজকে আমি আপনাদেরকে সেই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাবার একটি উপায় বর্ণনা দিচ্ছি। এখন থেকে আপনার পিসিতেই বসে আপনার মোবাইল টি আপনি ফ্লাস দিতে পারবেন যতবার ইচ্ছে ততবার।
এর জন্য নিচের সম্পূর্ণ লিখাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কিছু আলোচনা:-
আসলে আপনার ফোনে ফ্লাসের সমস্যাটি হওয়ার কারণ হচ্ছে..
ফোনটিতে কিছু Firmware File থাকে যেগুলো সচল থাকলে ফোনটির সকল ফাংশন ঠিকভাবে কাজ করে।
কিন্তু এগুলো যদি নষ্ট হয়ে যায় তারপর ফোন আর ঠিকমত কাজ করেনা। এমনকি মোবাইল চালু ও পর্যন্ত হয়না।
এছাড়াও আর অনেক সমস্যা দেখায়, যেগুলো হলো- আপনার ফোনটি চালু হয়ে সাদা স্কীন দেখাবে অথবা কয়েক বার চালু হতে এবং বন্ধ হতে থাকবে। কখনো কখনো ফাংশন ঠিক মত কাজ করবে না। আবার কখনো ফোন বন্ধ হয়ে আর চালু হবেনা।
আমরা সাধারণত এধরনের সমস্যায় পড়লে মোবাইল সার্ভিস পয়েন্ট নিয়ে যাই এবং সেখানে ফ্লাসের মাধ্যমে সেটা ঠিক করে দেওয়া হয়।
ফ্লাস কি? আসলে ফ্লাস হচ্ছে Firmware Files গুলো আপনার মোবাইলে দেওয়ার একটি প্রকৃয়া বিশেষ মাত্র। মূলত ফ্লাসের মাধ্যমে নতুন করে সেই ফাইল গুলো মোবাইলে দেওয়া হয়। এবং এর ফলে মোবাইল পূর্বের মত পুররায় সচল হয়ে যায়।
Firmware Files নির্ভর করে আপনার মোবাইলের RM এর উপর। RM মূলত বিভিন্ন মোবাইলের বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। যেমন Nokia 3110 এর RM হলো 237
আপনি যদি আপনার মোবাইলের RM নম্বরটি দেখতে চান তাহলে মোবাইলের ব্যাটারী খুলে তার নিচে RM লিখাটি দেখতে পাবেন এবং তার পাশে RM নম্বর টি ও দেথতে পাবেন।
এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ফোনে *#0000# টাইপ করেও দেথতে পারবেন।
Phonix এর মাধ্যমে ফ্লাস দেওয়ার বিষয়টা একটু জটিল। তাই প্রথমে এ বিষয়ে কিছু তথ্য আপনাকে জানিয়ে রাখছি।
আপনি যে কোন সেট ই ফ্লাস দিতে যান না কেন, আপনার কাছে তার RM ফাইলগুলো অবশ্যই থাকতে হবে। তবে চিন্তিত হওয়ার কারন নেই, গুগুল এ সার্চ দিয়ে আপনি আপনার যেকোন মোবাইলের RM ফাইলগুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তবে Google এ কেবল শুধু RM লিখে ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারেন। যেমন- উদহরণস্বরুপ আপনার মোবাইল যদি নোকিয়া ৩১১০ হয় তাহলে আপনি শুধু RM-237 গুগুলে লিখে সার্চ দিলেই আপনার প্রত্যাশিত ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারেন।
যাইহোক, নিচে আমি দুটি লিংক দিচ্ছি যেখান থেকে আপনি কিছু মোবাইলের RM ফাইলগুলো ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে আপনি যখন RM ফাইল ডাউনলোড করতে যাবেন তখন যদি ফাইলটি জিপ অথবা রারফাইলের অবস্থায় না থাকে তাহলে উক্ত RM এর যেগুলো সেখানে দেখতে পাবেন এর সবগুলো ফাইল ডাউনলোড করে নিবেন। মূলত কোন কোন ক্ষেত্রে ৫ টি ১০টি ইত্যাদি সংখ্যক ফাইল দেথতে পাবেন। তবে জিপ বা রার অবস্থায় থাকলে একটি ফাইল ই দেখতে পাবেন এবং সেটা ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিলেই হবে। এবং আপনি RM ফাইলগুলো আনজিপ করার সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন।
এগুলো মূলত বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। যেমন-২০ এমবি, ৫০ এমবি, ৮০ এমবি ইত্যাদি।
ফ্লাস দেওয়ার নিয়মাবলী:-
১। ফ্লাস দেওয়ার জন্য প্রথমে প্রয়োজন Phonix সফটওয়্যারটির, তাই নিচের লিংক থেকে ১০০ এমবির এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।
২। এবার ডাউনলোড শেষে সফটওয়্যার টি আপনার পিসিতে ইনস্টল দিন। অনেক ক্ষেত্রে আপনার পিসিতে ডট ফ্রেমওয়ার্ক এর আপডেট ভার্সন না থাকার কারণে phonix সফটওয়্যার টি ইনস্টল নিবে না। তাই যাদের কম্পিউটারে Phonix সফটওয়্যাটি ইনস্টল না নিবে, তারা নিচের লিংক থেকে প্রথমে ডট ফ্রেমওয়ার্ক টি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন, এবং তারপর Phonix সফটওয়্যার টি আপনার পিসিতে ইনস্টল দিন।
৩। এবার আপনার মোবাইলের RM ফাইল গুলো যেগুলো আপনি পূর্বেই ডাউনলোড করে রেখেছেন সেখানে যান। যদি জিপ অবস্থায় থাকে তাহলে Extract অথবা আনজিপ করে নিন।
৪। এবার RM ফাইলগুলো কে কোথায় রাখবেন নিচ থেকে তা দেখে নিন:-
C ড্রাইভের ভিতরে গিয়ে Program files ফোল্ডার টি ওপেন করুন তারপর এর ভিতরে থাকা Nokia এবং তার ভিতরে থাকা Phonix ফোল্ডার টি ওপেন করুন, তারপর Products ফোল্ডারটি দেখতে পাবেন। এবার সেখান থেকে Products ফোল্ডারটির ভিতরে গিয়ে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। এবং আপনার RM অনুযায়ী সেটার নাম দিন। (যেমন উদাহরণস্বরুপ Nokia-3110 মোবাইলের RM-237, তাই ফোল্ডার টির নাম হবে RM-237)
আপনার মোবাইলের RM অনুযায়ী ফোল্ডার নাম পরিবর্তন করার পর, আপনার ডাউনলোড করা RM ফোল্ডারটি আনজিপ করে ফাইলগুলো ঐ ফোল্ডার টি তে কপি করে রাখুন।
নিচে দেখে নিন আপনার RM ফোল্ডারটির লোকেশন কিরূপ দেখাবে।
C:\Program Files\Nokia\Phoenix\Products\RM-237
উল্লেখ্য যে আপনার মোবাইলের RM টি RM-237 এর স্থানে দিন।
বিষয়টা বুঝতে অনেকের একটু কষ্ট হচ্ছে..তাইনা? আসলে আমরা যখন Phonix সফটওয়্যার টির ইনস্টল দিয়েছি তখন অটোমেটিক ভাবে C ড্রাইভের ভিতরে থাকা Program Files নামক ফোল্ডারটিতে Phoenix এবং এর ভিতরে Products নামক ফোল্ডার গুলো তৈরি হয়ে গিয়েছে।
আপনি C ড্রাইভে ঢুকে পর্যায়ক্রমে উপরের লোকেশন অনুযায়ী ঢুকলে Products ফোল্ডারটি দেথতে পাবেন।
এবং সেই ফোল্ডার টির ভিতরে আপনার ডাউনলোড কৃত RM ফোল্ডারটি আনজিপ করে রাখবেন। পরবর্তীতে সেই লোকেশন থেকে RM ফাইলগুলো Phonix প্রোগ্রামটি তে চলে আসবে। আশা করি এবার বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।
৫। এবার ডেস্কটপ থেকে Phonix প্রোগ্রামটি আপনার পিসিতে রান করান।
তারপর একটি ভালো USB ক্যাবল দিয়ে আপনার মোবাইল টি পিসির সাথে কানেক্ট করুন।
এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী No connection সিলেক্ট করুন।
 ৬। এবার নিচের চিত্রটির ন্যায় ফাইল মেন্যুতে গিয়ে Open product এ ক্লিক করুন।
 ৭। তারপর নতুন একটি উইন্ডো আসবে। আপনি সেখান থেকে আপনার মোবাইলের RM টি সিলেক্ট করে নিন নিচের চিত্রটির মত করে।
 ৮। এবার মেন্যু থেকে Flashing মেন্যুতে ক্লিক করুন এবং Firmware update লিখাটি সিলেক্ট করুন নিচের চিত্রটির মত করে।
 ৯। তারপর নিচের চিত্রে মার্ক দিয়ে যে তিনটি ডট চিহ্ন কে বুঝানো হয়েছে ঠিক আপনিও সেই ডট চিহ্নিত স্থানটি তে ক্লিক করুন।
 ১০। এবার নিচের উইন্ডোটির মতো একটি উইন্ডো আসবে। আপনি সেখানে আপনার variant অথবা product code ফাইলটির উপর ক্লিক করুন
 ১১। তারপর নিচের চিত্রটির মত Dead phone USB Flashing এর ঘরটিতে টিক চিহ্ন দিন। নিচের চিত্রে এই স্থানটি কে এক নম্বর দিয়ে দেথানো হয়েছে।
তারপর Refurbish এ ক্লিক করুন, নিচের চিত্রে সেই স্থানটি ২ নম্বর দিয়ে দেখানো হয়েছে।
 ১২। এরপর আপনার সামনে নিচের মত একটি ডায়ালগ উইন্ডো আসবে, আপনি সেই লিখাগুলো অনুযায়ী পরবর্তী কয়েকটা ধাপ করে নিন।
যেমন, সেখানে যে লিখাগুলো থাকবে সেগুলো হচ্ছে-
USB এর লাইন বিচ্ছিন্ন করতে বলবে, তারপর মোবাইল থেকে ব্যাটারী টি আলাদা করতে বলবে, তারপর পুনরায় USB কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করতে বলবে। এবং তারপর ব্যাটারী টি মোবাইলে প্রবেশ করানোর জন্য বলবে।
সবশেষে মোবাইলের পাওয়ার সুইচে ৮ সেকেন্ড চাপ দিতে বলবে এবং ok লিখাটিতে ক্লিক করতে বলবে।
আপনি এগুলো পর্যায়ক্রমে করে নিন।
 ১৩। এরপর মোবাইলে ফ্লাস নেওয়া শুরু হবে এবং নিচের চিত্রটির মত দেখাবে। আপনি ফ্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
 ১৪। ফ্লাসের শেষ পর্যায়ে আপনি নিচের চিত্রটির মত একটি উইন্ডো দেখবেন। আপনি সেখানে ok তে ক্লিক করুন।
তারপর আপনার মোবাইল টি রিস্টার্ট নিবে। এবং ফ্লাস সাকসেসফুল দেখাবে।
এই পোষ্টটির করার জন্য পাঠক পর্যায় থেকে আমি ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলাম তাই কষ্ট হলেও এত বড় পোষ্টটি করতে বিন্দু মাত্র অলসতা করিনি। আশা করছি পোষ্টি পেয়ে সবাই খুশি হবেন।
উক্ত উপায়ে ফ্লাস দিতে আপনার যেকোন সমস্যা হলে আমাকে অবশ্যই জানাবেন। আমি এর যথাসম্ভব সমাধান দিব। আমাকে নিচের ফেসবুক পেজটি তে সবসময় পাবেন।

Monday, August 12, 2013

ফেসবুক ফ্রেন্ডদের হাইড করা ইমেইল আইডি বের করে নিন

ফেসবুকের নীতিমালায় একটা কথা আছে, আপনাকে ফেসবুক ব্যবহার করতে হলে আপনার বয়স ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। কিন্তু আজ আমি আপনাকে দিয়ে আপনার ফ্রেন্ডদের হাইড করা ইমেইল আইডি বের করিয়ে দেখাব তার জন্য আপনার বয়স ১২ হলেও আপত্তি নেই। তবে একটা কথা এটা কেবল শিখার জন্য।
আচ্ছা, হাইড করা ইমেইল আইডি দিয়ে আপনি কি করবেন? এখন আবার ভাববেন না উদ্দেশ্যহীন কিছু আপনাদের শিখাচ্ছি। তাহলে দেখুন কি করা যায়-
প্রথম কথা হল ইমেইল আইডি দিয়ে সার্চ করে সহজে আপনার ফ্রেন্ডকে খুঁজে পেতে পারেন। হঠাৎ দেখলেন আপনার কিছু ফ্রেন্ড হাওয়া হয়ে গেছে, বুঝতে পারছেন না আপনি BLOCK খাইছেন না আপনার ফ্রেন্ড তার আইডি DEACTIVATE করে রাখছে, তখন ইমেইল আইডি দিয়ে অন্য অ্যাকাউন্ট থেকে সার্চ করে বিষয়টা বুঝতে পারবেন। আরও দুই একটি কাজ করা যায় সেগুলো আর বলছি না।

প্রথমে Yahoo তে একটা অ্যাকাউন্ট করে নিন।
তারপর Log In করে Mail – এ যান। নিচের ছবি দেখুন-
যেখানে CONTACTS লিখা সেখানে ক্লিক করুন-প্রথমে Yahoo তে একটা অ্যাকাউন্ট করে নিন।
তারপর Log In করে Mail – এ যান। নিচের ছবি দেখুন-
যেখানে CONTACTS লিখা সেখানে ক্লিক করুন-


তারপর IMPORT CONTACTS – এ ক্লিক করুন-


এবার যেখানে Facebook-এর Logo দেখছেন সেখানে ক্লিক করুন। তারপর Facebook এ Log in করুন নিম্নের মত।


ব্যস, কাজ শেষ। এবার সব ইমেইল লোড নিবে, নিচের ছবির মত যেখানে DONE লিখা আছে সেখানে ক্লিক করুন।

 এবার বাম পাশে দেখুন আপনার সব ফ্রেন্ডদের ইমেইল আইডি-


আজ এই পর্যন্ত। আমি আবারও বলছি এটা কেবল শিখার জন্য, কেউ উপরিউক্ত আইডিয়া খারাপ কাজে ব্যবহার করতে চাইলে নিজ দায়িত্তে করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

Tuesday, August 6, 2013

চার্জ না থাকলেও কল করুন আপনার মোবাইল থেকে!!!!

ধরুন আপনার
নকিয়া মোবাইল এ
ব্যটারি লো…।।
কিন্তু আপনার খুব
গুরুত্বপূর্ন
একটা কল
করা দরকার… কিন্তু
হাতের
কাছে চার্জার নেই…।
সেক্ষেত্রেও
আপনি কল
করতে পারেন।
নকিয়া কিছু
চার্জ রিজার্ভ
করে রাখে। আপনিসেই
রিজার্ভ চার্জ
ব্যবহার
করে কথা বলতে পারবে
সে ক্ষেত্রে আপনাকে“*#3370#
চাপতে হবে… আপনার
মোবাইলটি রিস্টার্ট
হবে,তারপর যখন চালু
হবে আপনি আপনার
ব্যটারী লেভেল ৫০%
বেড়ে গেছে দেখবেন..
এখন
আপনি আপনার
গুরুত্তপূর্ন
কলটি সেরে ফেলুন…।
(ডিএক্টি ভ করতে#
3370# চাপুন)।
আপনি যখন আপনার
মোবাইল
আবারচার্জ এ
লাগাবেন তখন ওই
শেষ
হয়ে যাওয়া রিজার্ভ
চার্জ
আবার অটমেটিক
চার্জড হয়ে যাবে…।।
তবে সকল মোবাইল এ
কাজ করতে নাও
পারে…

আপনার জিমেইল আইডি দিয়েই পৃথিবীর যেকোনো মোবাইল নাম্বারে ফ্রী SMS পাঠান

সবাই আশা করি ভালই আছেন। আজকে যেই বিষয়ে লিখব অর্থাৎ জিমেইল আইডি দিয়ে যেকোনো মোবাইল নাম্বারে কিভাবে ফ্রী SMS পাঠানো যায় সেটা হয়ত অনেকেই আগে থেকে জেনে থাকবেন। যারা জানেন না এটা শুধু তাদের জন্য। তাহলে দেখে নিন কিভাবে আপনার জিমেইল আইডি দিয়েই পৃথিবীর যেকোনো মোবাইল নাম্বারে ফ্রী SMS পাঠাতে পারবেন। তবে এটা Limited.
  • প্রথমে আপনি আপনার জিমেইল আইডিতে Login করুন। তারপর বামপাশে যে বক্সটি দেখতে পাচ্ছেন সেখানে ক্লিক করুন এবং আপনার নাম্বারটি লিখুন যে নাম্বারে Message পাঠাতে চান। 



  • নাম্বারটি লেখার পর Send SMS এ ক্লিক করুন।

      • তারপর যে Pop Up Box আসবে সেখানে Contact Name এ আপনি কি নামে Save করতে চান সেই নাম দিন। আমি 'My Number' দিলাম। সব ঠিকঠাক করে তারপর Save এ ক্লিক করুন।




      • Save করার পর ডানপাশে দেখবেন একটা Chat Box এসেছে। তারপর আপনি Chat Box এ যা খুশি তা লিখে পাঠিয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত নাম্বারে। যেই নাম্বারে পাঠিয়েছেন সেই নাম্বার Check করে দেখুন আপনার Messageটি সফলভাবে পৌঁছে গিয়েছে।